ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ইতিহাসের গলা টিপে ধরা! পেতার বাড়ি ব্রিজের জায়গায় কংক্রিটের কালবাট

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 27, 2025 ইং
ইতিহাসের গলা টিপে ধরা! পেতার বাড়ি ব্রিজের জায়গায় কংক্রিটের কালবাট ছবির ক্যাপশন: প্রথমা আলো
ad728
নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁ—বাংলার ইতিহাসের এক জীবন্ত সাক্ষী। এখানকার প্রতিটি ইট-পাথর বহন করে শতাব্দীর স্মৃতি। সেই ঐতিহ্যেরই এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন ছিল প্রাচীন গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড ও এর অংশ পেতার বাড়ি (মেন্দি ভিটা) ব্রিজ।
কিন্তু আজ সেই ব্রিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে একখণ্ড কংক্রিটের “কালবাট”—যেন উন্নয়নের নামে ইতিহাসকে মাটিচাপা দেওয়ার এক নির্মম প্রতীক!

ব্রিজটির নিচ দিয়ে একসময় প্রবাহিত হতো শত বছরের পুরোনো সরকারি খাল। কৃষকরা এই খালের জল ব্যবহার করতেন ফসল উৎপাদনে, স্থানীয়রা নৌকায় চলাচল করতেন এই পথ ধরে। এখন সেই খাল অতীত। ভূমিদস্যুরা ধীরে ধীরে ভরাট করে দখল করেছে সরকারি জলাধার, তৈরি করেছে স্থাপনা ও বাণিজ্যিক ভবন।

একজন ক্ষুব্ধ স্থানীয় প্রবীণ জানান,

> “এটা শুধু খাল দখল নয়, এটা ইতিহাস হত্যার শামিল! প্রশাসনের চোখে যেন বালু ঢেলে দিয়েছে দখলদাররা।”

স্থানীয়দের অভিযোগ—দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি চক্র প্রশাসনের আশ্রয়ে থেকে খাল দখল করে আসছে। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

পরিবেশবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, খাল ভরাটের এই ধ্বংসযজ্ঞ ভয়াবহ পরিবেশগত বিপর্যয় ডেকে আনবে। আগামী বর্ষায় এলাকাজুড়ে জলাবদ্ধতা, ফসলের ক্ষতি, ও দুর্গন্ধে বসবাস অযোগ্য পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে,

> “যেখানে সরকারি খাল ছিল, সেখানে স্থাপনা গড়ে তোলা মানে জলপ্রবাহের গলা টিপে ধরা। প্রশাসনের উদাসীনতা এই অপরাধকে আরও উৎসাহিত করছে।”

সোনারগাঁয়ের মানুষ আজ ক্ষোভে প্রশ্ন তুলছে—
“সরকারি সম্পদ কি এখন ব্যক্তিগত ব্যবসার মাল?”

একসময় যে ব্রিজের নিচ দিয়ে নৌকা চলত, যে খালের জল কৃষিজীবন সচল রাখত, আজ সেখানে শুধুই বালু, মাটি আর কংক্রিটের স্তূপ। ঐতিহ্য হারাচ্ছে, ইতিহাস মরছে—অথচ প্রশাসন নির্বিকার!

বিশেষজ্ঞ ও সচেতন মহল মনে করছেন,
এখনই যদি দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড, পেতার বাড়ি ব্রিজ, এবং খালের ঐতিহ্য কেবল ইতিহাসের বইয়েই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে—বাস্তবে নয়।

শোয়েব হোসেন, নারায়ণগঞ্জ থেকে ফিরে :

নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁ—বাংলার ইতিহাসের এক জীবন্ত সাক্ষী। এখানকার প্রতিটি ইট-পাথর বহন করে শতাব্দীর স্মৃতি। সেই ঐতিহ্যেরই এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন ছিল প্রাচীন গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড ও এর অংশ পেতার বাড়ি (মেন্দি ভিটা) ব্রিজ।
কিন্তু আজ সেই ব্রিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে একখণ্ড কংক্রিটের “কালবাট”—যেন উন্নয়নের নামে ইতিহাসকে মাটিচাপা দেওয়ার এক নির্মম প্রতীক!

ব্রিজটির নিচ দিয়ে একসময় প্রবাহিত হতো শত বছরের পুরোনো সরকারি খাল। কৃষকরা এই খালের জল ব্যবহার করতেন ফসল উৎপাদনে, স্থানীয়রা নৌকায় চলাচল করতেন এই পথ ধরে। এখন সেই খাল অতীত। ভূমিদস্যুরা ধীরে ধীরে ভরাট করে দখল করেছে সরকারি জলাধার, তৈরি করেছে স্থাপনা ও বাণিজ্যিক ভবন।

একজন ক্ষুব্ধ স্থানীয় প্রবীণ জানান,

> “এটা শুধু খাল দখল নয়, এটা ইতিহাস হত্যার শামিল! প্রশাসনের চোখে যেন বালু ঢেলে দিয়েছে দখলদাররা।”

স্থানীয়দের অভিযোগ—দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি চক্র প্রশাসনের আশ্রয়ে থেকে খাল দখল করে আসছে। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

পরিবেশবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, খাল ভরাটের এই ধ্বংসযজ্ঞ ভয়াবহ পরিবেশগত বিপর্যয় ডেকে আনবে। আগামী বর্ষায় এলাকাজুড়ে জলাবদ্ধতা, ফসলের ক্ষতি, ও দুর্গন্ধে বসবাস অযোগ্য পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে,

> “যেখানে সরকারি খাল ছিল, সেখানে স্থাপনা গড়ে তোলা মানে জলপ্রবাহের গলা টিপে ধরা। প্রশাসনের উদাসীনতা এই অপরাধকে আরও উৎসাহিত করছে।”

সোনারগাঁয়ের মানুষ আজ ক্ষোভে প্রশ্ন তুলছে—
“সরকারি সম্পদ কি এখন ব্যক্তিগত ব্যবসার মাল?”

একসময় যে ব্রিজের নিচ দিয়ে নৌকা চলত, যে খালের জল কৃষিজীবন সচল রাখত, আজ সেখানে শুধুই বালু, মাটি আর কংক্রিটের স্তূপ। ঐতিহ্য হারাচ্ছে, ইতিহাস মরছে—অথচ প্রশাসন নির্বিকার!

বিশেষজ্ঞ ও সচেতন মহল মনে করছেন,
এখনই যদি দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড, পেতার বাড়ি ব্রিজ, এবং খালের ঐতিহ্য কেবল ইতিহাসের বইয়েই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে—বাস্তবে নয়।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : মোঃ শোয়েব হোসেন

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘গোপন রাজনীতি’ নিষিদ্ধের দাবি জানাল ছাত্রদ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘গোপন রাজনীতি’ নিষিদ্ধের দাবি জানাল ছাত্রদ