বি.এম. সাদ্দাম হোসেন; স্টাফ রিপোর্টারঃ
মাগুরা জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নের একটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান—ডাঃ লুৎফর রহমান ডায়াবেটিস হাসপাতাল—আজ যেন অব্যবস্থাপনা আর অদক্ষতার ভারে ন্যুব্জ। কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই হাসপাতালটি প্রত্যাশিত সেবা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরু থেকেই দক্ষতার পরিবর্তে দলীয় প্রভাব ও স্বজনপ্রীতির ভিত্তিতে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ফলে হাসপাতালের সেবার মান দিন দিন নিম্নমুখী হয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি—বরং নতুনভাবে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে বর্তমান পরিচালনা পরিষদের বিরুদ্ধে।
বর্তমান সেক্রেটারি আলী তারিকের নেতৃত্বে হাসপাতাল পরিচালনায় গুরুতর ঘাটতির কথা বলছেন অনেকেই। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন দায়িত্বে থাকলেও হাসপাতালের মৌলিক সমস্যা সমাধানে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নিতে পারেননি।
হাসপাতালটি শহর থেকে ৩-৪ কিলোমিটার দূরে পারনান্দুয়ালী গ্রামে অবস্থিত হওয়ায় রোগীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। গণপরিবহন ব্যবস্থা নেই বললেই চলে, একমাত্র ভরসা অটোরিকশা বা ছোট যানবাহন। তাও আবার হাসপাতালের একমাত্র রাস্তা এখনো কাঁচা—বর্ষাকালে যা হয়ে ওঠে প্রায় অচল।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় সচেতনতা কার্যক্রম, প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ কিংবা নিয়মিত ক্যাম্প—কোনোটিই চোখে পড়ে না। ইনডোর ও আউটডোরে বিনামূল্যে সেবা দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন রোগীরা।
হাসপাতালের ফান্ড গঠন বা উন্নয়নের জন্য স্থানীয় বিত্তশালী ব্যক্তি, ব্যবসায়ী বা দাতা সংস্থার কাছ থেকে অনুদান সংগ্রহে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এমনকি স্থানীয় বাণিজ্য মেলার মতো বড় আয়োজন থেকেও কোনো ফান্ড আনার চেষ্টা করা হয়নি বলে জানা গেছে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ রয়েছে। অনেকেই শুধু হাজিরা দিয়ে বেতন নিচ্ছেন—এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের ক্ষেত্রেও দায়িত্বশীলতার ঘাটতির অভিযোগ তুলেছেন সচেতন মহল।
এত গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান কেন এভাবে অবহেলিত? কেন নেই কার্যকর তদারকি? কেন জেলাবাসী তাদের প্রাপ্য চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত?
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন মাগুরাবাসী। এখন দেখার বিষয়—কবে এই হাসপাতালটি সত্যিকার অর্থে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারে। বর্তমান এমপি ও সাস্থ্য মন্ত্রনালয় পারবে অবস্থার উন্নতি করতে
মাগুরা জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নের একটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান—ডাঃ লুৎফর রহমান ডায়াবেটিস হাসপাতাল—আজ যেন অব্যবস্থাপনা আর অদক্ষতার ভারে ন্যুব্জ। কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই হাসপাতালটি প্রত্যাশিত সেবা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরু থেকেই দক্ষতার পরিবর্তে দলীয় প্রভাব ও স্বজনপ্রীতির ভিত্তিতে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ফলে হাসপাতালের সেবার মান দিন দিন নিম্নমুখী হয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি—বরং নতুনভাবে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে বর্তমান পরিচালনা পরিষদের বিরুদ্ধে।
বর্তমান সেক্রেটারি আলী তারিকের নেতৃত্বে হাসপাতাল পরিচালনায় গুরুতর ঘাটতির কথা বলছেন অনেকেই। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন দায়িত্বে থাকলেও হাসপাতালের মৌলিক সমস্যা সমাধানে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নিতে পারেননি।
হাসপাতালটি শহর থেকে ৩-৪ কিলোমিটার দূরে পারনান্দুয়ালী গ্রামে অবস্থিত হওয়ায় রোগীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। গণপরিবহন ব্যবস্থা নেই বললেই চলে, একমাত্র ভরসা অটোরিকশা বা ছোট যানবাহন। তাও আবার হাসপাতালের একমাত্র রাস্তা এখনো কাঁচা—বর্ষাকালে যা হয়ে ওঠে প্রায় অচল।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় সচেতনতা কার্যক্রম, প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ কিংবা নিয়মিত ক্যাম্প—কোনোটিই চোখে পড়ে না। ইনডোর ও আউটডোরে বিনামূল্যে সেবা দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন রোগীরা।
হাসপাতালের ফান্ড গঠন বা উন্নয়নের জন্য স্থানীয় বিত্তশালী ব্যক্তি, ব্যবসায়ী বা দাতা সংস্থার কাছ থেকে অনুদান সংগ্রহে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এমনকি স্থানীয় বাণিজ্য মেলার মতো বড় আয়োজন থেকেও কোনো ফান্ড আনার চেষ্টা করা হয়নি বলে জানা গেছে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ রয়েছে। অনেকেই শুধু হাজিরা দিয়ে বেতন নিচ্ছেন—এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের ক্ষেত্রেও দায়িত্বশীলতার ঘাটতির অভিযোগ তুলেছেন সচেতন মহল।
এত গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান কেন এভাবে অবহেলিত? কেন নেই কার্যকর তদারকি? কেন জেলাবাসী তাদের প্রাপ্য চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত?
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন মাগুরাবাসী। এখন দেখার বিষয়—কবে এই হাসপাতালটি সত্যিকার অর্থে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারে। বর্তমান এমপি ও সাস্থ্য মন্ত্রনালয় পারবে অবস্থার উন্নতি করতে
দৈনিক চ্যানেল দিগন্ত