গতকাল সোমবার দুপুরে সাভার মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান আরাফাতুল ইসলাম, ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টার থেকে উদ্ধার হওয়া জোড়া মরদেহের ঘটনায় তদন্তের অংশ হিসেবে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়। ফুটেজে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তির চলাফেরা, অবস্থান এবং সময়ের সঙ্গে ঘটনার মিল পাওয়া যায়। এরপর তাকে নজরদারিতে এনে ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাট কমিউনিটি সেন্টারে পাওয়া সর্বশেষ জোড়া মরদেহসহ মোট ছয়টি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। তবে এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনের উদ্দেশ্য ও অন্যান্য সম্ভাব্য সহযোগীদের বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মোঃ হিরণ চৌধুরী