চট্টগ্রম সীতাকুণ্ডে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়
পেট্রোল ও অকটেনের ঘাটতি নেই, সরবরাহ স্বাভাবিক: বিপিসি অবৈধভাবে মজুদ হচ্ছে কি না, মনিটরিং দাবি
মাওলানা মোঃ আনোয়ার হোসাইন
সরকারের দাবি, দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই। নেই পেট্রোল ও অকটেনের কোনো অভাব। দেশের মোট পেট্রোল এবং অকটেনের চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশই আসে দেশীয় উৎস থেকে। গ্যাসক্ষেত্রের তলানি বা কনডেনসেট পরিশোধনের মাধ্যমে এসব জ্বালানি তৈরি করা হয়। পাশাপাশি চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি থেকেও প্রতিদিন অন্তত ৫০০ টন পেট্রোল উৎপাদিত হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) বলছে, দেশে পেট্রোল ও অকটেনের কোনো ঘাটতি নেই এবং সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক রয়েছে। তবে বাস্তবে চট্টগ্রাম নগরীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে দেখা যাচ্ছে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। নগরীর অধিকাংশ পাম্পেই পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও স্বল্প সময়ের জন্য বিক্রি হলেও বেশিরভাগ সময় পাম্পগুলো বন্ধ রাখা হচ্ছে। অনেক পাম্পে বাঁশ ও দড়ি দিয়ে প্রবেশপথ আটকে রাখা হয়, আবার কোথাও যাচ্ছে যে স্বজনপ্রীতি করে কাউকে ৫০ লিটার ১০০ লিটার আবার কাউকে ২০,৩০ করে পেট্রোল ও অকটেন দিচ্ছে । ফলে জ্বালানি সংগ্রহের জন্য নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরে বেড়াচ্ছেন গাড়ির মালিকরা। প্রায় প্রতিটি পাম্পের সামনে দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন। শত শত গাড়ি ও মোটরসাইকেল ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করলেও অনেক সময় শেষ পর্যন্ত জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না।
ভুক্তভোগী বিভিন্ন গাড়িচালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'কী এক আজব দেশে আছি ভাই। সরকার বলছে সংকট নেই, অথচ পাম্পের গেটে বিরাট বাঁশ বেঁধে রাখা। পুরো শহর ঘুরেও কোথাও তেল পাচ্ছি না। প্রতিটি
নগরীর অধিকাংশ পেট্রোল পাম্প বেশির ভাগ সময় বন্ধ রাখা হচ্ছে-
পাম্পের সামনে লম্বা লাইন। শুনলাম একটি পাম্প দশ লিটার করে তেল দিচ্ছে। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর বলে তেল শেষ।'
তিনি বলেন, অনেক গাড়ি পাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু বাসায় ফিরে যাওয়ার মতোও তেল নেই। স্টার্ট দেওয়ার মতো জ্বালানি না থাকায় অনেকে চরম বিপাকে পড়ছেন।
গাড়ি মালিকদের অভিযোগ, যদি সত্যিই জ্বালানি তেলের কোনো সংকট না থাকে, তাহলে পাম্পগুলোতে কেন পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হচ্ছে না-এ প্রশ্নের সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভবাড়ছে ভুক্তভোগীদের মধ্যে।আরে মধ্যে দিয়ে রাত্রে দশটা থেকে ৩ টা পর্যন্ত ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে এতে করে অনেক সাধারন যাত্রী ও গাড়ি চালকগণ ক্ষিপ্ত হয়ে পড়ছে। এখন তারা জানান প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত তা না হয় সামনে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে মুসলিম উম্মাহ ঈদ করতে আসা যাওয়া অনেক সংকট হয়ে পড়বে। চ্যানেল দিগন্ত নিউজ
(চট্টগ্রাম প্রতিনিধি )
মাওলানা মোঃ আনোয়ার হোসাইন
মোঃ আনোয়ার হোসাইন