ঢাকা | বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জের আলোচিত 'মাফিয়া' নারী শেফার অন্ধকার জগতের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 28, 2026 ইং
হবিগঞ্জের আলোচিত 'মাফিয়া' নারী শেফার অন্ধকার জগতের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ ছবির ক্যাপশন:
ad728
কে সেই মাফিয়া চক্রের আলোচিত নারী সেফা আক্তার, ওরফে হোটেল হোটেল সেফা?

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আলোচিত সেই নারী মাফিয়া চক্রের সদস্য, হোটেল শেফা আক্তারের বিরুদ্ধে বিগত সময়ে ভুয়া শিক্ষা সনদ ব্যবহার করে আনসারে চাকুরি গ্রহণ, টাকা আত্মসাতসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ায় আনসার বাহিনী থেকে তাহাকে বরখাস্ত করা হয়। 

বরখাস্তের পর বর্তমানে তার অতীত জীবনের নানা বিতর্কিত অপকর্মের তথ্য প্রকাশ্যে বেড়িয়ে আসতে শুরু করেছে।

জানাযায়, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পইল পশ্চিম পাড়া গ্রামের রিক্সাচালক আব্দুল খালেক ঘরজামাই হিসেবে দক্ষিন তেঘরিয়া জবেদা খাতুনের মেয়ে রহিমা খাতুনকে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর অবাধ চলাফেরা ও অবৈধ পরকীয়ার কারণে দাম্পত্য জীবনে প্রায় চার পাঁচ বছর সংসার করার পর জন্ম নেয় কন্যা শেফা আক্তার। শেষপর্যন্ত স্ত্রীর অবাধ চলা পেরার কারনে অতিষ্ঠ হয়ে আব্দুল খালেক রহিমাকে তালাক দিয়ে চলে যায় সেখান থেকে, রেখে যায় একমাত্র কন্যা সেফা আক্তারকে।

এদিকে অভাবী সংসারে বেড়ে ওঠা শেফা আক্তার পেটের দাগিদে অল্প বয়সেই নানা অবৈধ কর্মকাণ্ড (খু-কর্মে) জড়িয়ে পড়ে। মাত্র নয় বছর বয়সেই লিপ্ত হয় অসামাজিক অপকর্মে।

একাধিক অবৈধ পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ায় বার বার ধরা খেয়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয় এলাকায়।
তার পর শুরু হয় সাজগুজ করে সৌন্দর্য বিলিয়ে এলাকার কিছু মানুষের দৃষ্টি আকর্ষন। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দাপটে চলার পথ সুগম করে নেয় সেফা আক্তার।

বিয়ে বসে বানিয়াচং উপজেলার উজিরপুর গ্রামের রিক্সা চালক তোফাজ্জল মিয়ার সাথে। বিবাহিত জীবনেও একই ধরনের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে,স্বামী তোফাজ্জল মিয়ার। দাম্পত্য জীবনে দেখা দেয় অশান্তি তোফাজ্জল এর। এনিয়ে একাধিক বার সামাজিক সালিশের পরও অরৈধ মেলামেশার আচরন পরির্বতন না করায় তোফাজ্জল মিয়াও ব্যার্থ হয়ে তালাক দিয়ে চলেযায় সেখান থেকে, রেখে যায় এক মেয়ে ও এক ছেলে।

এবার আরো অধিকত্বর ব্যাপরোয়া হয়ে উঠে সেফা আক্তার, নিজ বাড়িতে গড়ে তোলে অসামাজিক কার্যকলাপের ঝমজমাট আসর। বিভিন্ন এলাকা থেকে দেখাযায় প্রতিনিয়ত সন্ধা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথেই খদ্দেরদের আনাগুনায় মুখরিত সেফা আক্তার এর বসত বাড়ি,এনিয়ে গরুত্বর অভিযোগ রয়েছে স্হানিয় গন্যমান্যদের। পরবর্তীতে বিয়ে বসে ধুলিয়া খাল বেকারি শ্রমিকের সাথে সেও চলে যায় একই অভিযোগে এক মেয়ে ও এক ছেলে রেখে।

পরবর্তীতে এলাকার চাপের মুখে শেফা আক্তার কিছুদিন গা ডাকা দিয়ে চলে যায় ডাকা নারাইনগঞ্জে। সেখানে নাম পরিবর্তন করে সেফালি আক্তার নামসহ একেক স্থানে একেক নাম ধারন করে প্রায় পাচ ছয় মাস বিভিন্ন হোটেলে চালিয়ে যায় গুপনে দেহ ব্যবসা। এরই সুবাদে মিশে য়ায় মাফিয়া চক্রের সাথে, হয়ে উঠে টপটের মাফিয়া হোটেল সেফা। তারই ধারা বাহিকতায় মোটা অংকের বেতনে বিদেশ চাকুরী দেয়ার নামকরে হবিগজ্ঞ সহ বিভিন্ন জেলার কয়েক জন অসহায় উঠতি বয়েসি যুবতী নারীকে উচ্চ বেতনে চাকুরি দেয়ার নাম করে বিক্রয় করে দিয়ে দেয় তার সহকর্মী মাফিয়া চক্রের হাতে। নাম ঠিকানা পরিবর্তন এর কারনে সেফা আক্তার রয়েযায় ধরাছোঁয়ার বাহিরে এবিষয়ে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে সেফা আক্তারগংদের বিরুদ্ধে। 

তারপূর্বে সেফা আক্রার লিপ্তছিল মোবাইল ফোনে বিভিন্ন এলাকার উটতি বয়সী ছেলেদের সাথে প্রেমের অভিনয় করে ব্যাকমেইল করে তার সহকর্মীদের নিয়ে টাকা পয়সা, মোবাইল ফোন হাতিয়ে নেয়ার নতুন কৌশলে। এটা একধরনের চিন্তাই ও গুরুতর অপরাধ। আর সেই সুবাদেই যেতে হয় হবিগজ্ঞ সদর মডেল থানার তৎকালিন ওসি সুদীপ রায়ের বিছানায়। রাত্রি শেষে ওসি সুদীপ রায়ের এন্ড্রয়েট মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে আসে বাড়িতে। পরের দিন রাত্র অনুমান ২, ৩০ ঘটিকায় হবিগজ্ঞ সদর মডেল থানার একদল পুলিশ সেফা আক্তারের বসত ঘড় ঘেরাও করে তল্লাশী চালিয়ে বসত ঘড়ের ভিতরে ইদুরের গর্ত থেকে উদ্ধার করে মোবাইলটি। 

এসময় রুপ যৌবন আর সৌন্দর্য কাজে লাগিয়ে আবারো পুলিশের হাত থেকে কৌশলে বেছে যায় সেফা আক্তার। এসমস্ত অপকর্মে জড়িয়ে অল্প সময়েই আর্থিকভাবে সচ্ছল হয়ে ওঠে সেফা আক্তার।

মাটির দেয়ালে ছন বাঁশের ঝুপড়ি কুড়েঘড় থেকে পাকা দালান পর্যন্ত তার উত্থান, এ নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা।

এরপর থেকেই মাফিয়া হোটেল সেফা আক্তার এর জীবনযাত্রায় ও আচরণে আরো অধিকতর সাহসীকতার ভুমিকা লক্ষ্য করা যায়।

অনুসন্ধানে ধীরেধীরে বেড়িয়ে আসিতেছে তলের বিড়াল, একটি গুপন সুত্রে জানাযায় এসব গুরুতর অপরাধের সাথে ১ম ধাপে জরিত রয়েছে ঐ এলাখার স্হানিয় এক রিক্সাচালক এর ছেলে সাবেক টমটম চালক বর্তমান ভুইফুর সাংঘাতিকসহ আরো সাত থেকে আটজন অপরাধ চক্রের সদস্যও জড়িত। ঘটনার পুরো তদন্তের স্বার্থে একনও নাম প্রকাস করা যায়নি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে শেফা আক্তারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : মোঃ ইলিয়াস আলী মাসুক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন

প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন