ঢাকা | বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জ স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে স্বর্ণ বন্ধক রেখে চড়া সুদের ব্যবসা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 23, 2026 ইং
গোপালগঞ্জ স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে স্বর্ণ বন্ধক রেখে চড়া সুদের ব্যবসা ছবির ক্যাপশন: সংগ্রহীত
ad728
লুৎফর সিকদার (ক্রাইম রিপোর্টার্স)গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

চোখ ধাঁধানো ডেকোরেশন। সবাই জানে জুয়েলার্সের দোকান। অথচ দোকানের এই চাকচিক্যের পেছনে চলছে স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয় আর স্বর্ণ বন্ধক রেখে চড়া সুদে জমজমাট স্বর্ণ বন্ধক রাখার ব্যবসা। নীতিমালা নেই, বৈধতা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। এতে অনেকেই হচ্ছেন নিশ্চয় হয়রানি প্রতারিত হচ্ছে।

গোপালগঞ্জে স্বর্ণ পট্রি চৌরাঙ্গী রয়েছে জুয়েলার্সের দোকান। এর মধ্যে কয়েকটি দোকানের বিরুদ্ধে। মূলত স্বর্ণের দোকানের সাইনবোর্ড লাগিয়ে কয়েকটি দোকানের মালিক স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয় আর স্বর্ন বন্ধক রেখে চড়া সুদে টাকার লেনদেন করে যাচ্ছেন।এ লেনদেন সাধারণত মহিলাদের সাথে করছে। কিছু মহিলাদের অভিযোগ যে বিপদে পড়ে পরিবারের সদস্যদের সকল স্বর্নের আংলকার দিয়ে পরবর্তীতে ফেরত আনতে গেলে,নাম বলতে অনিচ্ছুক গোপালগঞ্জের নামীদামী বড় স্বর্নের ব্যবসায়ী ঐ সকল স্বর্ন ফেরত দেয়নি।ঐ পরিবারের আশার শখের সব নিঃস্ব করে দিল। 

জানা গেছে, বিপদের মুহূর্তে কেউ কেউ এসব দোকানে স্বর্ণ বন্ধক রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে ফেরত দেওয়া হয় না তাদের বন্ধকী সোনা অর্ধেক মূল্যে স্বর্ণ কিনে তারা দিনে-রাতে বনে যান লাখ লাখ টাকার মালিক।

 স্বর্ণ কেনাসহ সুদে টাকা খাটানোর একাধিক অভিযোগ রয়েছে অনেক বড় নামিদামি স্বর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তিনি খুব সমস্যায় পড়ে স্বর্ণ বন্ধক রেখে কিছু টাকা নেন। তিন মাসের মধ্যে ওই টাকা সুদসহ ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশোধ করতে পারেন নি। এর ফলে নিজের বন্ধকী স্বর্ণ আর ফেরত পাননি তিনি।

আরও জানা গেছে, গোপালগঞ্জ কয়েকটি বড় নামধারী জুয়েলার্সের দোকান বন্ধক সুদের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এই সুদের ব্যবসায় শুধু জুয়েলার্স প্রতিষ্ঠানের মালিকই বিনিয়োগ করেন না, বাইরের অনেক ব্যক্তিও এ কাজে অর্থ বিনিয়োগ করে থাকেন। 
 স্বর্ণ কেনা আর সুদের ব্যবসার কোনো অনুমোদন আছে কি না জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্টানের কর্ণধাররা বলেন, 'নিয়ম তো নেই, তারপরও কিনেছি। অনেকেই তো কেনে।'

 তবে ক্যাশমেমো কিংবা বৈধ কাগজপত্র এবং নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি ছাড়া এভাবে স্বর্ণ কেনা তো সম্পূর্ণ বেআইনি। যারা এমন কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোনার বন্ধকের নামে উচ্চ হারে সুদ নেওয়া (যেমন আসল টাকার দ্বিগুণ/তিনগুণ) সরাসরি সুদখোরী, যা[সুদ] সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী অবৈধ। বর্তমান, সোনা বন্ধক রেখে সুদে নেওয়ার ব্যবসাটি সুদের ব্যবসা হিসেবে গন্য হয় এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, যদিও এটি ব্যাপক আকারে ধারণা করছে।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চ্যানেল দিগন্ত

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বিদ্যালয়ে চৌকি, বিশ্রাম নেন প্রধান শিক্ষক ও তার স্ত্রী

বিদ্যালয়ে চৌকি, বিশ্রাম নেন প্রধান শিক্ষক ও তার স্ত্রী