ঢাকা | বঙ্গাব্দ

জামুর্কির কালিদাসের সন্দেশ ভৌগলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য-২০২৫

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Apr 11, 2026 ইং
জামুর্কির কালিদাসের সন্দেশ  ভৌগলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য-২০২৫ ছবির ক্যাপশন: জামুর্কির কালিদাসের সন্দেশ ভৌগলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য-২০২৫
ad728
রামকৃষ্ণ সাহা রামা, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি 

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী গ্রামের প্রয়াত কালিদাস চন্দ্র সাহা। তার বানানো সন্দেশ জামুর্কীর সন্দেশ নামে সুপরিচিত। ১৯৪০ সালে কালিদাস চন্দ্র সাহার হাত ধরেই জামুর্কীর সন্দেশের যাত্রা। 

সেই সন্দেশ এবার ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে ২০২৫ সালে। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের হাতে জামুর্কীর সন্দেশের জিআই নিবন্ধন সনদ তুলে দেন তৎকালীন শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

কালিদাস ১৯৮২ সালে মারা যান। তারপর তাঁর বড় ছেলে সমর চন্দ্র সাহা ব্যবসার হাল ধরেন। আরেক ছেলে গৌতম সাহা লন্ডনপ্রবাসী।


সমর চন্দ্র সাহা বলেন, বাবার মৃত্যুর পর ছাত্রাবস্থায় তিনি দোকানে বসতে শুরু করেন। সেই থেকে এখনো আছেন। সন্দেশ খেয়ে মানুষ প্রশংসা করেন। ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জামুর্কী বাসস্ট্যান্ডে এক অনুষ্ঠানে এসে দোকানটিতে এসেছিলেন। বিএনপির চেয়ারম্যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসেছেন। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ এসেছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়াও এ সন্দেশ খেয়েছেন।

২০১৩ সালে ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতাল পরিদর্শনে এলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে এই সন্দেশ দিয়ে আপ্যায়ন করে।

‘কালিদাস মিষ্টান্ন ভান্ডার’ এর সন্দেশের স্বাদ নিয়েছেন রাজনীতিবিদসহ নানা শ্রেণি–পেশার মানুষ।  চিনি ও গুড়ের তৈরি দুই ধরনের সন্দেশের বর্তমান বাজারমূল্য প্রতি কেজি ৮০০ টাকা। দোকানটিতে সন্দেশ ছাড়াও চমচম, রসগোল্লা, রসমালাই, দই ও ঘি বিক্রি করা হয়।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চ্যানেল দিগন্ত

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ

অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ