ঢাকা | বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে: জোনায়েদ সাকি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 24, 2025 ইং
বাংলাদেশে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে: জোনায়েদ সাকি ছবির ক্যাপশন: সংগ্রহীত
ad728

বাংলাদেশে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএ আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে শিক্ষা সংস্কার ভাবনা’ শীর্ষক সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা হওয়া উচিত একটি উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে সুযোগের সমতা ও ন্যায্য সম্পদবণ্টন নিশ্চিত হয়। সেই সঙ্গে সমাজকে আরও সমতাভিত্তিক করতে হলে শিক্ষার পুনর্বিন্যাস জরুরি। তিনি মনে করেন, দেশে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার সম্পূর্ণ দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে।

তিনি বলেন, মানবিক ও দক্ষ—দুই ধরনের জনগোষ্ঠী তৈরি করাই এখন জরুরি। দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে আনতে যেমন অতিরিক্ত বাজেট প্রয়োজন, তেমনি শিক্ষাব্যবস্থার নীতি-কাঠামোতেও পরিবর্তন আনতে হবে। শিক্ষকদের বেতন, সুযোগ-সুবিধা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে স্বতন্ত্র বেতনস্কেল প্রণয়ন জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের মর্যাদা, কাজের মূল্যায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন—এই তিনটি দিক বাস্তবায়ন করতে পারলে রাষ্ট্রের দায়িত্বে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা দেওয়া সম্ভব।

সভায় লেখক ও চিন্তক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, গণশিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে দেশের উন্নয়ন সহজ হবে। তিনি বলেন, মৌলিক শিক্ষায় শিক্ষিত করলে মানুষ জানবে কী করতে পারে এবং কীভাবে দক্ষতা ব্যবহার করতে পারে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা বলেন, শিক্ষার সঙ্গে রাজনীতির সংঘর্ষ বেড়েছে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর শিক্ষা এখন রাজনৈতিক প্রভাবের জায়গায় পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, দেশে শিক্ষা এখন বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে; সার্টিফিকেটের জন্য পড়াশোনা হচ্ছে, যা শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য নয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জিএসএর নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল। তিনি বলেন, গণসংহতি আন্দোলনের ইশতেহার প্রণয়নের অংশ হিসেবে এসব আলোচনা চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতামত ও জনগণের অভিমতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত ইশতেহার তৈরি করা হবে।

এ ছাড়া আলোচনায় বক্তব্য রাখেন লেখক ও মানবাধিকারকর্মী ইলিরা দেওয়ান, শিক্ষা সংস্কার আন্দোলনের সংগঠক আবুল হাসনাত কবির, প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সহ-সম্পাদক মনযূরুল হক, লেখক ও শিক্ষক সফিক ইসলাম এবং আমাদের পাঠশালার প্রধান শিক্ষক তোফাজ্জল হোসেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক চ্যানেল দিগন্ত

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিকেল বোর্ড

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিকেল বোর্ড