ষ্টাফরির্পোটারঃ হবিগঞ্জ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮ দিন ব্যাপি দায়িত্ব পালনকারী ভিডিপি সদস্য সদস্যা-রা জানান তাদের নির্বাচনী দায়িত্ব পালন শেষে পরের দিন তাদের প্রত্যেকের নিজ নিজ নামীয় বরাদ্দকৃত ভাতার টাকা তাদের নিজ নিজ বিকাশ নাম্বারে পেরন করা হয়।
কিন্তু এবার তা ভিন্নঃ এবারের নির্বাচনে একজন সেকসন কমান্ডার ও দুইজন সহঃ সেকসন কমান্ডার প্রত্যেকেই ২৭৫+৮৬৬০ টাকা এবং ভিডিপি সদস্য সদস্যাগন প্রত্যেকের মাথাপিছু ভাতা ২৭৫+৮২৬০ টাকা সরকার কর্তৃক বরাদ্দ করে দিয়েছেন। সেই পুরো টাকা আমাদেরর পরিশোধ করার কথা ১৫ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য। উপজেলা প্রশিক্ষক পারভেজ তা-না করে আমাদেরকে দিনের পর দিন পোড়াচ্ছেন আনসার অফিসে।
নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে ও তিনি করেছেন চরম দুর্নীতি, প্রশিক্ষক পারভেজ বাহীনির নিয়ম শৃংখলার তোয়াক্কা না করে শত শত প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত লোক থাকা সত্ত্বেও তার নিয়োজিত ৪/৫ জন দালালদের মাধ্যমে মোটা অংকের উৎকুচ গ্রহন করে ডিউটিতে লোক নিয়োগ করিয়েছেন।
এদিকে দালাল চক্র প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত লোক এর নাম দিয়ে, যথাযথ ঐ লোককে তার ডিউটির দায়িত্বে না দিয়ে ১৫০০শত টাকা হইতে ২০০০ হাজার টাকায় চুক্তিবদ্ধ করে রাস্তা থেকে কামলা ধরে এনে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে পালন করিয়েছে নির্বাচনে আনসার এর ডিউটি, এখানে দেখা গিয়েছে চরম পর্যায়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি।
আনসারের সদস্যরা জানান একদিগে নিয়োগ বাণিজ্য, অন্যদিকে এবার টাকা বিতরনে চলছে অনিয়ম, ঐ সমস্ত উৎকুচ বিনিময়কারী দালালদের গ্রুপের টাকা দ্রুত দেয়া হচ্ছে।
আমাদেরকে বার বার বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ক্ষনে মোবাইল নাম্বার ঠিক করে দেয়ার নামে অফিসে বার বার আনা নেয়া, এমন করেই টাকা দিতে সময় পার করছেন টি আই পারভেজ ও তার দালালরা। আমরা কি টাকা পাব না পাবনা তাও জানিনা, এমনকি জেলা কমান্ড্যান্ট ও এবিষয়ে কোন প্রকার কর্ণপাত করেনি। তিনি নিজেও রয়েছেন এমস্ত অপকর্মে জড়িত বলে গুরুত্বর অভিযোগ রয়েছে ।
এ বিষয়ে সঠিক তথ্য জানতে সাংবাদিকরা আনসারের কমান্ড্যান্ট মুজিবুল হক 01730-038085 ও উপজেলা প্রশিক্ষক পারভেজ এর 01848-177270 নং মোঠোফোনে বারবার ফোন দিলেও তিনি সাংবাদিকদের ফোন রিসিভ করেননি।
মোঃ ইলিয়াস আলী মাসুক