
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে জহিরুল ইসলাম (২৬) নামে এক যুবক গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (সেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত জহিরুল ইসলাম উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাউনিয়া গ্রামের মৃধা বাড়ির মো. জাহাঙ্গীর মৃধার ছেলে। তিনি ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জহিরুল ইসলাম ঢাকা থেকে বাড়িতে আসার পর সোমবার (২৩ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে ক্ষোভ ও অভিমানে তিনি ঘরে থাকা বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন।
তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী জানান, জহিরুলের সঙ্গে তার স্ত্রী, শ্বশুর এবং নিজের বাবার দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এই ক্রমাগত পারিবারিক অশান্তি ও মানসিক হতাশা থেকেই তিনি এমন চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "গত রাতে জহিরুল ইসলাম নামে এক যুবক গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেছিলেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। তবে আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।"